মাত্র পাওয়াঃ এবারের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে যা বলল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

দেশে মহামারি করোনার দ্বিতীয় আঘাতের কারণে আগামী জুনে এসএসসি ও সমমান এবং জুলাই-আগস্টে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও আরও দুই মাস পিছিয়ে যেতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ। গত ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করে পরবর্তী দুই সপ্তাহ পর এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এসএসসি ও সমমানের জন্য ৬০ দিন এবং এইচএসসি ও সমমানের জন্য ৮৪ দিনে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করার

২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত বহাল, খুলছে না হল

আগামী ১৭ মে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা এবং ২৪ মে থেকে ক্লাস শুরুর কথা থাকলেও খুলছে না হল। তবে বহাল রাখা হয়েছে ২৪ মে থেকে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত। বুধবার (৫ মে) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের ভার্চুয়াল এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর খোলার তারিখ নির্ধারণ রয়েছে। তবে এর মধ্যে দেশে

আরও ২ মাস পেছাতে পারে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক (এসএসসি) ও ১ এপ্রিল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরু হয়ে থাকলেও করোনার কারণে এই সূচিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে অটোপাস দিতে হয়। এ বছরও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে এসএসসিতে ৬০ দিন এবং এইচএসসিতে ৮৪ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পড়িয়ে জুন-জুলাইয়ে এসএসসি এবং সেপ্টেম্বর অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে সেই সূচিও

প্রাথমিকে একগুচ্ছ সুখবর

প্রাথমিকে একগুচ্ছ সুখবর দিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম।মঙ্গলবার বাংলাদেশ জার্নালের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডের বেতন-বোনাসসহ সব বকেয়া ফিরিয়ে দেয়া হবে। ডিপিই মহাপরিচালক বলেন, ১৩তম গ্রেড অনুযায়ী বেতন ফিক্সেশন না হওয়ার কারণে বেতন ও বাড়ি ভাড়ার যেটুকু কম পেয়েছেন তা বকেয়া হিসেবে পাবেন শিক্ষকরা। আর আসন্ন ঈদের বোনাস যারা কম উত্তোলন করেছেন তারাও বোনাসের বাকি অংশ পাবেন। এ বিষয়ে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, টাকা জমার শেষ সময় আজ রাত ১২টা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির শূন্য পদের বিষয় ও পদভিত্তিক অনলাইন আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে শুক্রবার (৩০ এপ্রিল)। প্রার্থীরা আজ সোমবার (৩ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদনের টাকা জমা দিতে পারবেন। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ-এর (এনটিআরসিএ) একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, রোববার (২ মে) পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে ৮৭ লাখের বেশি। সে হিসাবে এখন পর্যন্ত একটি পদের জন্য ১৬০ জনের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। টাকা জমা

অটোপাস আর নয়, যেকোনো উপায়ে নেয়া হবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা

করো’নাভাই’রাস এখন চীন ছাড়াও বিশ্বের ৯০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। করো’নাভাই’রাস সংক্রমণরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কিছুটা হলেও সবাই এখন সচেতন।এমতাবস্তায়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। নতুন খবর হচ্ছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয় তাহলে টিভি, রেডিও আর অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমেই শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর কথা জানাচ্ছে মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। পাশাপাশি যেকোনো উপায়ে নেয়া হবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা; কোনোভাবেই অটোপাস নয়। উচ্চশিক্ষাতেও মেকআপ ক্লাস ও সিলেবাস কাঁটছাঁট হতে পারে বলে জানিয়েছে ইউজিসি। শিক্ষাবিদরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ আবেদনে রেকর্ড

দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষক নিয়োগের অনলাইন আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে শুক্রবার (৩০ এপ্রিল)। রাত ১২টায় আবেদনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্য পদের বিপরীতে মোট আবেদন পড়েছে প্রায় এক কোটি। সে হিসেবে শিক্ষক পদে নিয়োগে সুপারিশ পেতে প্রতিটি পদে আবেদন পড়েছে দেড়’শর বেশি। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে জানা গেছে, গত ৪ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশ ৮১ লাখ ১৬ হাজার নিবন্ধিত চাকরিপ্রত্যাশীর আবেদন জমা হয়েছে। এর

এইমাত্র পাওয়াঃ এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিলেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান!

করোনাভাইরাসের কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছর ‘অটোপাস’ দিয়েছে সরকার। এতে তীব্র সমালোচনা তৈরি হওয়ায় আর কোনো পরীক্ষায় অটোপাস দেওয়ার চিন্তা নেই। তবে করোনার কারণে বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিয়ে বড় সংকট তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস না করিয়েও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। অথচ করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কবে ক্লাস শুরু হবে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এ পরিস্থিতিতেও ক্লাস করিয়েই এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের ক্লাস করিয়েই পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে শিক্ষা প্রশাসন। তবে

অটোপাসের সুযোগ নেই, তিন পদ্ধতিতে এসএসসি নেয়ার প্রস্তাব

চলমান করোনা পরিস্থিতে ভিন্ন পদ্ধতিতে এসএসসি ও সমমান নিতে তিন পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়া, সমমান দুই বিষয়কে একত্রিত করে বিষয় কমিয়ে সশরীরে পরীক্ষা নেয়া ও শুধু বিভাগভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া এই তিনটি প্রস্তাব দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড। এসএসসি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে তারা একাধিক বাস্তবসম্মত প্রস্তাব তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। মন্ত্রণালয় থেকে যে প্রস্তাব চূড়ান্ত করবে সেটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। এর আগে মঙ্গলবার (২৭

মাত্র পাওয়াঃ অনলাইনসহ তিন পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব

করোনা পরিস্থিতির কারণে ভিন্ন পদ্ধতিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিতে চায় শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ জন্য তিনটি পদ্ধতি নির্বাচন করা হয়েছে। একটি অনলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়া, অপরটি সমমান দুই বিষয়কে একত্রিত করে বিষয় কমিয়ে সশরীরে পরীক্ষা নেয়া, আর শুধু বিভাগভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া। তবে প্রথমে অনলাইনে প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করে একটি টেস্ট পরীক্ষা আয়োজন করতে বলা হবে। তাতে সফল হলে উল্লেখিত তিন প্রস্তাবের যেকোনো একটি পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে