মিডিয়ার কোনো মে’য়েকে আর বিয়ে করবেন না মাহির সাবেক স্বামী

ঢাকাই সিনেমা’র জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সিনেমা থেকে শুরু করে নিজের ব্যক্তি জীবন; সবকিছু নিয়েই বর্তমানে বেশ আলোচনায় রয়েছেন। আজ তৃতীয় বিয়ে করেছেন বলে নিজেই জানিয়েছেন ফেসবুকে।

তিনি তার ফেসবুক আইডি থেকে বিয়ের একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘আলহাম’দুলিল্লাহ। আজ ১৩/০৯/২১ ইং ১২.০৫ মি. আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হলো। এর আগের সব কথা আসলেই গুজব ছিলো। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন এটাই একমাত্র চাওয়া।’

ডিভোর্স হয়ে গেলেও সাবেক স্বামী পারভেজ মাহমুদ অ’পুর সঙ্গে বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে দাবি করতেন মাহি। সেই অ’পু এবার তার প্রাক্তন সঙ্গীকে নতুন দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানালেন।

তবে খানিকটা চাপা ক্ষোভও প্রকাশ পেলো অ’পুর। তিনি মাহিকে বিশ্বা’স করে তার ম’র্যাদা পাননি। অ’পুর ধারণা, মিডিয়ার মে’য়েরা আর অন্য সব মে’য়েদের মতো নয়। একটু জটিল। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘আর কখনো মিডিয়ার মে’য়ে বিয়ে করবো না। বাবা-মায়ের পছন্দে বিয়ে করবো।’

তিনি এর আগে আজ ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি রাকিবকে আগে থেকেই চিনি। মাহি আমা’র সঙ্গে তার বন্ধু হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। তার এক ছে’লে ও এক মে’য়ে আছে আমি জানি। সে আমাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতেও গিয়েছে।’

সমালোচনা হচ্ছে রাকিবের সঙ্গে স’ম্পর্কের হাত ধরেই নাকি মাহির সঙ্গে আপনার বিচ্ছেদ। এটা কতটুকু সত্যি? এমন প্রশ্নের জবাবে অ’পু বলেন, ‘এটা মি’থ্যে। আমি খুব সাধারণ মানুষ ভাই। সাধারণভাবেই জীবন-যাপন করতে চাই। আমা’র পরিবারের মান সম্মান অনেক বড়। যেটা হয়ে গেছে তা নিয়ে কথা বলতে মান সম্মানে আ’ঘাত আনতে চাই না। এ ব্যাপারে আমি আর কথা বলতে আগ্রহী নই।’

এর আগে ২০১৬ সালের ২৫ মে জমকালো আয়োজনে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অ’পুকে প্রথম বিয়ে করেছিলেন মাহিয়া মাহি। চলতি বছরের ২৪ মে তাদের পঞ্চ’ম বিবাহ বার্ষিকী’র আগমুহূর্তে মাহি জানান, একসঙ্গে থাকছেন না আর তারা। প্রথম স্বামী অ’পু জানান তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটেছে।

তারও আগে ২০১৫ সালের ১৫ মে কাজী মো. সালাউদ্দিন ম্যারেজ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে শাওন নামে একজনকে বিয়ে করেন মাহি। ২০১৬ সালে অ’পুকে বিয়ের পর শাওনের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি আলোচনায় আসে। শাওনের সঙ্গে মাহির ছবিও ফাঁ’স হয়। তখন মাহি সাইবার ক্রা’ইমে মা’মলা করেন। তবে সেই মা’মলার প্রতিবেদনে শাওনের সঙ্গে মাহির বিয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *